চট্টগ্রাম
লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়ন খন্দকার পাড়ার মৃত সরোয়ার কামালের বড় ছেলে
প্রতারক ফরিদুল আলম ফেসবুকে বিত্তশালী মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে
তুলে বাড়ি গাড়ীর
লোভ দিয়ে মেয়েদের বিয়ের করার জন্য প্রভাবিত করে। প্রতারক ফরিদুল আলমের
ফেসবুকের ফ্রেন্ড লিষ্টে দেখা যায় ৩২০০ বন্ধুর মধ্যে প্রায় ৩১৫০ জনই সমাজের
বিত্তশালী মেয়েদের নাম এসব মেয়েদের সাথে চ্যাট করার সময় নিজেকে বিশাল বড়
ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে প্রাথমিক সম্পর্ক স্থাপন করে এভাবেই প্রতারক ফরিদুল আলম পরকিয়া করে নাহিদ এবং পুতুলের মাকে বিয়ে করে যখন নাহিদের বাবা বিদেশে অবস্থান করছিল।
বাটপার ফরিদুল আলম এভাবে অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে।ফরিদুলের সৎ মেয়ে দুটি এখন বিয়ে হয়েছে মেয়ে নাহিদ এবং পুতুলের ও সন্তান আছে।নাহিদ এবং পুতুলের সাথেও শারিরীক সম্পর্ক ছিল সৎ বাবা ফরিদুল আলমের।
ফরিদুল আলমের নিজের একটা ছেলে আছে ছেলের নাম রাকিবুল আলম। রাকিবুল আলম বর্তমানে চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুলে দশম শ্রেণির ছাত্র। তিন জনেরই থাকা-খাওয়া সব একসঙ্গে।
চট্টগ্রাম হালিশহর হাউজিং সোসাইটির এল ব্লকের তিন নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার চার তলায় বসবাস করা এক মহিলার এমনই দাবিতে হইচই পড়ে গিয়েছে সমাজিক মাধ্যমে।
তাঁদের ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি। সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়েছে।ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ঘরের বিছানার উপর এক মহিলা বসে রয়েছেন। তাঁর পরনে রানি রঙের শাড়ি-ব্লাউজ়।ওই মহিলার দু’পাশে বসে রয়েছেন দুই যুবক।
মহিলা জানিয়েছেন, দুই যুবকই তাঁর স্বামী। দু’জনকেই তিনি বিয়ে করেছেন। ভিডিওতে ওই মহিলাকে এ-ও বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘দু’জন স্বামী, তাই কপালে দুটো টিপ পরা জরুরি। আমি খুব সুন্দর ভাবে সবটা সামলাই ।
আমাদের তিন জনের যাওয়া-আসা, থাকা-খাওয়া সব একসঙ্গে।’’ যদিও ভিডিওতে ওই দুই যুবককে চুপ করে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। তাঁরা কোনও কথা বলেননি।