দেশের মানুষ বারবার আশাহত হয়েছে বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম । এবার আশাহত হলে আমরা আর উঠে দাঁড়াতে পারবো না। তিনি আরও বলেছেন, জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার এবং রাষ্ট্রের সংস্কার কাজ উন্নত হয়েছে। আর আমরা যে সময় পাবো তার মধ্যে যেন এই কাজগুলোকে আরো এগিয়ে নিতে পারি।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্রেস ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ (পিআইবি) মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উপলক্ষে প্রামাণ্য চিত্র ও চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন।
মাহফুজ আলম আরও বলেন, শেখ হাসিনা পুলিশ বাহিনী ও বিজিবিকে রক্ষীবাহিনীতে পরিণত করেছিলো। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর নৈতিক মনোবল ভেঙে দিয়েছিলো। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সেনাবাহিনীকে দূষিত করে গেছেন। প্রশাসনকেই তিনি বাকশাল হিসেবে গড়ে তুলেছিলো।
শেখ হাসিনার পরিকল্পনা ছিল মুজিব আদর্শের ট্যাবলেট (গুলি) খাইয়ে কয়েক প্রজন্মকে পঙ্গু করে রাখবে। রাষ্ট্রের টাকা খরচ করে শেখ হাসিনা আদর্শিক গুণ্ডা এবং সাংবাদিক পুষতো। তারা হত্যাকাণ্ডের সময় পরিবেশ স্বাভাবিক করতে মৌলবাদ বিরোধী তকমা লাগিয়ে তা বৈধ করে। পুরো ব্যবস্থা এমনভাবে গড়েছিলেন যেখানেই হাত দেওয়া হয়, সেখানেই গুণ্ডাদের পাওয়া যাবে।
উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনা শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, ব্যক্তি মানুষকেও দূষিত করেছেন। তাই কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার করে ফ্যাসিবাদ দূর করা সম্ভব নয়।’ শেখ হাসিনা তরুণদের বন্দী করে রাখে একটি মতাদর্শের মধ্যে। তরুণদের ক্ষোভ-ঘৃণাকে ইতিবাচক দিকে পরিচালিত করতে হবে এবং অবশিষ্ট ফ্যাসিবাদ দূর করতে হবে। জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানকে সামগ্রিক বিপ্লবে রূপান্তর করতে হবে। ।
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আরো বলেন, ব্যক্তি এবং কাঠামো থেকে ফ্যাসিবাদ দূর করে শহীদ এবং আহতদের প্রত্যাশা থেকে নতুন বন্দোবস্তের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।