চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়ন খন্দকার পাড়ার মৃত সরোয়ার কামালের বড় ছেলে প্রতারক ফরিদুল আলম ফেসবুকে বিত্তশালী মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাড়ি গাড়ীর লোভ দিয়ে মেয়েদের বিয়ের করার জন্য প্রভাবিত করে। প্রতারক ফরিদুল আলমের ফেসবুকের ফ্রেন্ড লিষ্টে দেখা যায় ৩২০০ বন্ধুর মধ্যে প্রায় ৩১৫০ জনই সমাজের বিত্তশালী মেয়েদের নাম এসব মেয়েদের সাথে চ্যাট করার সময় নিজেকে বিশাল বড় ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে প্রাথমিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
বাটপার ফরিদুল আলম এভাবে অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে এটা তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। নারী ঘটিত এমন অনেক অভিযোগে অতীতে বেশ কয়েকবার জুতার মালা গলায় ঝুলিয়ে সামাজিক বিচারের মুখোমুখি করা হয় ৬৫ বছরের এই বৃদ্ধ প্রতিবন্ধী ফরিদুল আলম কে।এভাবেই ঢাকার ধানমন্ডির এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরকিয়া সম্পর্ক করে তাকে নিয়ে কক্সবাজার যায় প্রতারক ফরিদুল আলম সেখানে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকা খাওয়া কোন বিল পরিশোধ না করে তিন দিন অবস্থান করে প্রতারক ফরিদুল আলম, তারপর নারী সঙ্গীর ২০ (বিশ ভরি) স্বর্নের গহনা নিয়ে মেয়েটি কে একা ফেলে পালিয়ে যায় বাটপার ফরিদুল আলম।
স্বামী বাচ্চা আর সকল সামাজিক মর্যাদা হারানো অসহায় মেয়েটি বিপদে পড়ে কোন কুল কিনারা না পেয়ে হাউমাউ করে কান্নাকাটি করতে থাকে।হোটেলের ম্যানেজার বিষয় টি জানার পর মেয়েটি কে নিয়ে পুলিশের কাছে যায়। কক্সবাজার থানায় একটি প্রতারনা মামলা এন্টি হবার পর বিষয় টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় ওঠে। মূহুর্তেই,ঘটনাটি ভাইরাল হয়ে যায় ফেসবুকে তারপর ২৪ ঘন্টার মধ্যে চট্টগ্রাম হালিশহর হাউজিং সোসাইটির এল ব্লকের তিন নম্বর রোডের সাত নম্বর বাসা থেকে গ্রফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয় প্রতারক ফরিদুল আলম কে।
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রতারক ফরিদুল আলম সব ঘটনা স্বীকার করে। প্রতারক ফরিদুল আলমের থেকে সব গহনা উদ্ধার করে মেয়েটিকে বুঝিয়ে দিয়ে প্রতারনার মামলায় তাকে জেলে পাঠানো হয়। জানা যায় মেয়েটিকে বিদেশে প্রচার করতেই তার সাথে এমন সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রতারক ফরিদুল আলম ইতিপূর্বে অসংখ্য মেয়েকে বিভিন্ন ভাবে ইন্ডিয়া, দুবাই,সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচের অনেক দেশে নারী পাচার করেছে।
আরো জানা যায় বাটপার ফরিদুল আলম এভাবে অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে ভন্ড ফরিদুল আলমের আরো প্রতারনার খবর আমাদের সেরা খবরে নিয়মিত প্রচার করা হবে, তার সকল জাল জালিয়াতি, মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষ কে হয়রানি, সরকারি চাকরি জন্য তদবির, প্রশ্ন ফাঁস,নারী পাচার ,ব্যবসায়িক অংশীদার করে টাকা হাতিয়ে নেয়া, ভুয়া জমি আর জাল দলিল দেখিয়ে জমি বিক্রি, মেয়েদের নগ্ন ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় ,মেয়েদের দিয়ে জোড় পূর্বক দেহ ব্যবসা করানো এমন সব খবর সিরিজ আকারে আরো বিস্তারিত ভাবে নিয়মিত আসছে পরবর্তী সংখ্যায়।ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতারনার সাথে জড়িত এই বাটপার কে বারবার মামলা দিয়ে আটকে রাখা যায় নাই।বাটপার ফরিদুল আলমের নামে অসংখ্য মামলা আছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাতে।ভয়ংকর আন্তর্জাতিক মানের এই বাটপার কে নিয়ে আরো কিছু মামলা ডিবি,পিবিআই, সিআইডি তে তদন্ত চলছে।