ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের মিথ্যা মামলাবাজ প্রতারক ফরিদুল আলম বিস্মকর তথ্য ফাঁস

প্রতারক ফরিদুল আলম অতিতে অনেক বার বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতরনা করে ধরা পড়ে গণপিটুনির স্বীকার হয়ে পুলিশের কাছে ধরা খেয়েছে। তার অভিনব প্রতরনার কৌশলে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে চট্টগ্রাম এবং বান্দরবন জেলায় কিনেছেন বেশ কিছু জমি।চট্টগ্রাম লোহাগড়া নিজ এলাকায় ৫ তলা ভবন নির্মান করেছেন। প্রতারক ফরিদুল আলম ঢাকা হাইকোর্টের ক্রয় শাখার একজন ঠিকাদার হিসাবে বর্তমান কাজ করছেন । ২৫ থেকে ৩০ জনের ভুক্তভোগী থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
  • আপলোড তারিখঃ 14-02-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 17381 জন
চট্টগ্রামের  মিথ্যা মামলাবাজ প্রতারক  ফরিদুল আলম   বিস্মকর তথ্য ফাঁস ছবির ক্যাপশন: চট্টগ্রামের মিথ্যা মামলাবাজ প্রতারক ফরিদুল আলম বিস্মকর তথ্য ফাঁস

 প্রতারক ফরিদুল আলম চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের মৃত্যু সরোয়ার কামালের বড় ছেলে।ভয়ংকর এই প্রতারক অসংখ্য মানুষ কে মিথ্যা মামলার ফাঁদে ফেলে নিঃস্ব করেছে।প্রতারক ফরিদুল আলম অতিতে অনেক বার বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতরনা করে ধরা পড়ে গণপিটুনির স্বীকার হয়ে পুলিশের কাছে ধরা খেয়েছে। তার অভিনব প্রতরনার কৌশলে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে চট্টগ্রাম এবং বান্দরবন জেলায় কিনেছেন বেশ কিছু জমি।চট্টগ্রাম লোহাগড়া নিজ এলাকায় ৫ তলা ভবন নির্মান করেছেন। প্রতারক ফরিদুল আলম ঢাকা হাইকোর্টের ক্রয় শাখার একজন ঠিকাদার হিসাবে বর্তমান কাজ করছেন । ২৫ থেকে ৩০ জনের ভুক্তভোগী থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

চট্টগ্রামে ছাত্রজনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন দমাতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগসহ অন্য অঙ্গসংগঠনগুলো যে টাকা খরচ করেছে, তার অর্ধেক টাকাই আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা ফরিদুল আলম যোগান দেন বলে অনুসন্ধানে পাওয়া যায় ।

৬০ বছর বয়সের এই মানষিক প্রতিবন্ধী বাটপার ফরিদুল আলম ফেসবুকে বিত্তশালী মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে জায়গা জমি লিখে দেবার আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে সর্বশান্ত করেছে অসংখ্য নারীর জীবন।বেশ কয়েকটি বিয়ে করা প্রতারক ফরিদুল আলমের প্রতারনা জানার পর কোন মেয়ে বিয়েতে সম্মত না হলে সেই মেয়েকে এবং তার সন্তানদের নামেও দেয়া হয়েছে ৫-৭ টি করে মিথ্যা মামলা।


প্রতারক ফরিদুল আলম ঢাকা হাইকোর্টের ক্রয় শাখার একজন ঠিকাদার হিসাবে বর্তমান কাজ করছেন । ২৫ থেকে ৩০ জনের ভুক্তভোগী থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বর্তমানের টাকার অভাবে অনেকে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। অনেকেই টাকা ফিরে পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছে। কেউ কেউ ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি করেছে তদন্ত চলমান আছে অনেকে আদালতে মামলা করেছেন। একজন ভুক্তভোগী জানায় তাকে জমি বিক্রির কথা বলে তিন কোটি টাকা ফরিদুলের নিজ ব্যাংক হিসাবে নিয়েছেন কিন্তু জমি না দিয়ে ভুক্তভোগী অনেকের নামে দিয়েছেন মিথ্যা মামলা।


ভুক্তভোগীদের থেকে, ব্যবসা,জমি বিক্রি ও দোকান বিক্রির কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে কোটি কোটি টাকা নিয়েছে। সাভারে তার ১০০০ কোটি টাকার জমি বিক্রি করে টাকা ফেরত দেবে বলে আশ্বাস দিয়েও কোন টাকা ফেরত দেয়নি।

প্রতারক ফরিদুল আলমের নামে ঢাকা সিএমএম কোর্ট সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা চলমান আছে কিছু মামলা পিবিআই এবং ডিবিতে তদন্ত চলছে।চট্টগ্রাম কর অঞ্চল ২ এর উপকর কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষর জাল করে এক ভুক্তভোগীকে পাঠিয়ে সেই করের টাকা নিজে দাবী করেছে ।প্রতারক ফরিদুল আলম নিজে একটি জাল কাবিননামা বানিয়ে চট্টগ্রাম পারিবারিক আদালতে একটি মিথ্যা মামলা করেছে একজন নিরীহ মেয়ের নামে ।অসংখ্য নিরীহ মানুষ কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে দীর্ঘ দিন যাবৎ

নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ সেরা খবর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

মায়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল