জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার দপ্তরের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয় জুলাই–আগস্ট ছাত্র–জনতার আন্দোলন দমনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার কীভাবে পুলিশের পাশাপাশি দলীয় ক্যাডারদের নামিয়ে দিয়েছিল, তার বিবরণ তুলে ধরেছে। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের সমর্থক ও পুলিশ সদস্যরা মিলিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিক্ষোভ যতই কঠোর হয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী তত বেশি করে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সমর্থকদের বিক্ষোভ দমন করতে অন্তর্ভুক্ত করে।
ওএইচসিএইচআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক অভিযানে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সমর্থকেরা পুলিশের সঙ্গে সারিবদ্ধভাবে নেতারা অবস্থান নিয়েছিলো। বিক্ষোভ কারীদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযানের পুরোটা সময় তাঁরা পুলিশি ছত্রচ্ছায়ায় ছিলো। আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা পথচারী মানুষকে থামিয়ে তল্লাশি এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়াসহ নানা রকম অন্যায় কাজ করেছে। সংগঠিতভাবে, আপাতদৃষ্টে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এসব করা হয়।
অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রে জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানায় আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা অবস্থান করেছিলেন। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের অধীন পুলিশের রাজনৈতিকীকরণের মাধ্যমে এই কাজ সহজতর হয়েছিল; যা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও পুলিশের মধ্যে গভীর যোগাযোগ তৈরি করে।