মিথ্যা মামলা বাজ বাটপার ফরিদুল আলম কে জুতার মালা গলায় দিয়ে চট্টগ্রাম আপন নিবাস আবাসিক এলাকার জনগণ গনধুলাই দিয়েছে।প্রতারক ফরিদুল আলম চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়ন খন্দকার পাড়া মৃত্যু সরোয়ার কামালের ছেলে।।ফেসবুকে মেয়েদের সাথে প্রতারনা করে বিয়ে করে, কোন মেয়ে বিয়েতে সম্মত না হলে তাকে ৫-৭ টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে।
ভুয়া জমি আর জাল দলিল দেখিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বাটপার ফরিদুল আলম। এখন পর্যন্ত তার ৫ টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।সরকারি চাকুরী পাইয়ে দেয়া এবং প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত প্রতারক ফরিদুল আলম। জাল জালিয়াতির করে আয় করেছে কোটি কোটি টাকা।
চট্টগ্রামের ফরিদুল আলম কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে। ব্যবসার অংশিদার, মামলা থেকে জামিন,ভুয়া জাল দলিল দেখিয়ে জমি বিক্রি,বিদেশে নারী পাচার, গার্মেন্টস ব্যবসা,জাহাজ ব্যবসা,শপিংমল ব্যবসা সহ বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মালিক সেজে তিনি এসব টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে প্রতারক ফরিদুল আলম চট্টগ্রামের হালিশহর আছে।
চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লার কিছু মানুষের পরীক্ষার আগাম প্রশ্ন দিয়ে সাহায্য করার জন্য জন প্রতি ২ লাখ টাকা করে ঘুষ নেয় পরে প্রশ্ন না পাওয়ায় ভুক্তভোগী মানুষ গুলো ফরিদুল আলম কে আটকে টাকা আদায় করে জুতার মালা গলায় ঝুলিয়ে চট্টগ্রাম আপন নিবাস আবাসিক এলাকায় ঘুড়ানো হয়েছিল।
৬০ বছর বয়সের এই মানষিক প্রতিবন্ধী বাটপার ফরিদুল আলম ফেসবুকে বিত্তশালী মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে জায়গা জমি লিখে দেবার আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে সর্বশান্ত করেছে অসংখ্য নারীর জীবন।
প্রতারক ফরিদুল আলমের প্রতারনা জানার পর কোন মেয়ে বিয়েতে সম্মত না হলে সেই মেয়েকে দেয়া হয়েছে ৫-৭ টি করে মিথ্যা মামলা।প্রতারক ফরিদুল আলম অতিতে অনেক বার বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতরনা করে ধরা পড়ে গণপিটুনির স্বীকার হয়ে পুলিশের কাছে ধরা খেয়েছে। তার অভিনব প্রতরনার কৌশলে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে চট্টগ্রাম এবং বান্দরবন জেলায় কিনেছেন বেশ কিছু জমি।
চট্টগ্রাম লোহাগড়া নিজ এলাকায় ৫ তলা ভবন নির্মান করেছেন। প্রতারক ফরিদুল আলম ঢাকা হাইকোর্টের ক্রয় শাখার একজন ঠিকাদার হিসাবে বর্তমান কাজ করছেন । ২৫ থেকে ৩০ জনের ভুক্তভোগী থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বর্তমানের টাকার অভাবে অনেকে পথে বসার উপক্রম হয়েছে।