ঢাকা | বঙ্গাব্দ

খাসচর ধোকড়াকোল প্রাথমিক বিদ্যালয়টির রাজনৈতিক জটিলতায় বন্ধ থাকা জাতীয়করন ও নিবন্ধন নম্বর সচল করার জন্য জোড় দাবী

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের খাসচর ধোকড়াকোল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। নিচু জমিতে নির্মিত এ বিদ্যালয়ে শিশুরা বছরের চার মাস পানির মধ্যে ক্লাস করতে বাধ্য হয়। গ্রামের চারপাশে নদী থাকায় বাচ্চাদের নদী পাড় হয়ে অন্য বিদ্যালয়ে যাওয়া বিপদ জনক ।
  • আপলোড তারিখঃ 17-09-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 62166 জন
খাসচর ধোকড়াকোল প্রাথমিক বিদ্যালয়টির রাজনৈতিক জটিলতায় বন্ধ থাকা  জাতীয়করন ও নিবন্ধন নম্বর সচল  করার জন্য জোড়  দাবী ছবির ক্যাপশন: খাসচর ধোকড়াকোল প্রাথমিক বিদ্যালয়টির রাজনৈতিক জটিলতায় বন্ধ থাকা জাতীয়করন ও নিবন্ধন নম্বর সচল করার জন্য জোড় দাবী

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের খাসচর ধোকড়াকোল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। নিচু জমিতে নির্মিত এ বিদ্যালয়ে শিশুরা বছরের চার মাস পানির মধ্যে ক্লাস করতে বাধ্য হয়। গ্রামের চারপাশে নদী থাকায় বাচ্চাদের নদী পাড় হয়ে অন্য বিদ্যালয়ে যাওয়া বিপদ জনক ।



স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলার দূর্গম চরে কোন স্কুল না থাকায় স্থানীয় জনসাধারনের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পরামর্শে ২০১০ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩৩ শতাংশ জমির ওপর টিন দিয়ে করা হয়েছিল ভবনটি। এখনো সেই অবস্থায়ই আছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক জটিলতায় ২০১২ সালের জাতীয়করন হতে বঞ্চিত হয় এবং অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি।



প্রধান শিক্ষক মাহবুব হোসেন বলেন, বিদ্যালয় বিহীন গ্রামের ৪৫৮ জন শিক্ষার্থীর জন্য সরকারের সহযোগিতায় একটি ভবন নির্মান হলে ঝড়ে পড়া শিশুরা সঠিক শিক্ষার সুযোগ পাবে । বহুবার অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের বসানোই কষ্টকর হয়ে পড়ে।যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে স্কুলটির জন্য পাকা ভবন বরাদ্দের সুপারিশ পাঠানো হলে ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে।

স্থানীয়রা জানান,বিদ্যালয়টি চর অঞ্চলের নিচু জমিতে নির্মাণ করায় বছরের চার মাস পানি জমে থাকে। ভবনের অভাবে বছরের পর বছর শিশুদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত পাকা ভবনের ব্যবস্থা করা হলে বাচ্চারা উপকৃত হবে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছয়জন শিক্ষক ও ৪৫৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।



সাবেক উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, বিগত সরকারের রাজনৈতিক জটিলতায় বিদ্যালয়টির জাতীয়করনের জন্য আবেদন শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো বাধা প্রদান করা হয় এবং বিদ্যালয়টির নিবন্ধন নম্বর ও অনলাইন ইআইএমএস কোড ১১৬০৮২৮০৫ নম্বরটি ওয়েবসাইট থেকে বাতিল করাসহ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য তার দলের কিছু নেতা কর্মীদের দিয়ে উক্ত গ্রামে নাম মাত্র একটি ঘর স্কুল হিসাবে তৈরি করে অনৈতিক ভাবে শিশুদের আটকে রাখে এবং বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে আসতে বাধা দেয়া হয় ।উক্ত বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয় তারপর একটি তদন্তটিম পাঠানো হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা তদন্তটিমকে অপমান অপদস্থ করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে না দিয়ে তাড়িয়ে দেয় এবং তদন্তটিমের সামনে শিক্ষক শিক্ষিকাসহ ছাত্র ছাত্রীদের মারধর করা হয় তারপর মব তৈরি করে টিনের ঘরটির বেড়া ,চেয়ার,টেবিল ব্লাকবোর্ড ভেঙ্গে দেয়া হয়।



উক্ত বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা মহাপরিচালক মহোদয়কে লিখিত ভাবে জানানো হলে পলিসি অপারেশনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয় কিন্তু আজ অবধি কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতারা বাচ্চাদের স্কুলে আসতে বাধা প্রদান করে । স্থানীয়রা জানান, প্রাথমিক শিক্ষার গুনগতমান বজায় রাখতে বিদ্যালয়টির নিবন্ধন নম্বর ও ইআইএমএস কোডটি পুনরায় চালু করে বিদ্যালয়টি জাতীয়করনসহ দ্রুত পাকা ভবনের ব্যবস্থা করা হোক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোড় দাবী তাদের।

নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ সেরা খবর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই: প্রধান উপদেষ্টা