ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জাল জালিয়াতি করে সরকারি প্রকল্পের প্লট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার প্রতারক ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে।

জাল জালিয়াতি করে বহু সরকারি প্রকল্পের প্লট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া গ্রামের মৃত সরোয়ার কামালের বড় ছেলে প্রতারক মোঃ ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে।
  • আপলোড তারিখঃ 21-06-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 30876 জন
জাল জালিয়াতি করে  সরকারি প্রকল্পের প্লট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে  চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার  প্রতারক  ফরিদুল আলমের  বিরুদ্ধে। ছবির ক্যাপশন: জাল জালিয়াতি করে সরকারি প্রকল্পের প্লট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার প্রতারক ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে

জাল জালিয়াতি করে বহু সরকারি প্রকল্পের প্লট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে  চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া গ্রামের মৃত সরোয়ার কামালের বড় ছেলে প্রতারক  মোঃ ফরিদুল আলমের  বিরুদ্ধে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দেওয়া অবেদনে বলা হয়, আশুলিয়া   ২১৮৭ নং কোডের অন্তর্ভূক্ত গেন্ডা বাস ষ্টান্ড এলাকায়  রাস্তার ৭.৫ কাঠা আয়তনের ১৪ নং প্লট  সর্ব প্রথম মহিদুর রহমান এর অনুকূলে বরাদ্দ করা হয়। পরবর্তীতে মোঃ ফরিদুল আলম  স্বাক্ষর জাল জালিয়াতির নিজ নামে  আম-মোক্তারনামা দলিল সম্পাদন করে (সংযুক্ত-১)। যার দলিল নং ১৬২৬৭/২২। যা সম্পূর্ণ ভূয়া ও জাল জালিয়াতি। রাজউক অফিসে ও রেজিষ্ট্রি অফিসে খোঁজ-খবর করলে সত্য বেড়িয়ে আসবে।

মোঃ মোবারক হোসেন এর রাতারাতি ধনী হবার গল্প আলাদীনের চেরাগকেও হার মানাবে। ফরিদুল  আলম প্রথম জীবনে ছিল একজন সামান্য লাউ বিক্রেতা। পরবর্তীতে নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে বিপুল পরিমান টাকা পয়সার মালিক হন। তার পরের কাহিনী আরো রহস্যজনক। ফরিদুল রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের জিম্মি করে।

ফরিদুল তার  মায়ের নামে রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে ক্রয়কৃত ৭.৫ কাঠার প্লটে (প্লট নং-০৫, রোড নং-৪১১, সেক্টর নং-০১)  রাজিয়া হাউজ  নামে একটি রেষ্টুরেন্ট প্রতিষ্ঠা করে  পতিতা ব্যবসা  শুরু করে  এবং উক্ত রেষ্টুরেন্ট এর বিপরীতে অবস্থিত দুইটি প্লট দখল করে রেষ্টুরেন্টের টেবিল চেয়ার স্থাপন করেন। রাজউকের আবাসিক প্লটে বাণিজ্যিক কোনো স্থাপনা করা যাবে মর্মে না রাজউকের নীতিমালায় উল্লেখ আছে। রাজউক কর্তৃক উক্ত রেষ্টুরেন্টকে কারণ দর্শানোর নোটিশও প্রদান করা হয়েছিল (সংযুক্ত-২)। উক্ত রেষ্টুরেন্টে ওপেন মাদক বেচা-কেনা ও নারী পুরুষের অবৈধ মেলামেশাসহ নানাবিধ অসামাজিক কার্যকলাপ সংগঠিত হয়। যার ফলে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রচুর মাদকসহ রেষ্টুরেন্টের ম্যানেজার ও তার সংগীসহ মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করে। যা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও মিডিয়াতে প্রচারিত হয়।

ফরিদুল আলম  বৈধ কোনো ব্যবসা ছাড়া বিপুল অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছেন। তিনি বিপুল পরিমান অর্থ আমেরিকা ও দুবাইতে ইতোমধ্যে পাচার করেছেন। ফরিদুল  এর নামে পূর্বাচলের ইছাপুরা এলাকায় ১৫ কাঠা জমি এবং দাউদপুর এর আমাদিয়া মৌজায় প্রায় ২ বিঘা জমি রয়েছে (সংযুক্ত-৩)। তার স্ত্রী মুক্তা আক্তার এর নামে পূর্বাচল প্রকল্পে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় ক্রয়কৃত প্লট এবং আনুমানিক ৩০০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে (সংযুক্ত-৪)। ইতোমধ্যে  ফরিদুল আলম  বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পায়তারা করছেন। ফরিদুল  নামী দামী ব্যান্ডের ৩ টি গাড়ী ব্যবহার করেন। এমতাবস্থায়, ফরিদুল আলম  এর বিরুদ্ধে দলিল জাল জালিয়াতির মামলাসহ অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থের অনুসন্ধানপূর্বক দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ সেরা খবর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই: প্রধান উপদেষ্টা